Sourav Cultural Organisation

Testimonial

Sourav Cultural Organisation

সৌরভের শুভ কামনায়

শুভ শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে “সৌরভ” সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান- প্রমথনগর, পরশুডিহ এর সাথে যুক্ত শিক্ষকবৃন্দ এবং ছাত্র-ছাত্রীদের জানাই আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও অসীম ভালোবাসা। সৌরভ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং দীর্ঘ ৫২ বছর ধরে নৃত্যকলা, সঙ্গীত, চিত্রকলা ও আরো বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষামূলক ক্রিয়াকলাপ দ্বারা সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানটিকে চালিয়ে যাচ্ছে যা অত্যন্ত গর্বের ও প্রশংসনীয়।

সমস্ত শিক্ষকবৃন্দ ও সহযোগী কর্মীর ত্যাগ, সমর্পণ, প্রচেষ্টা ও প্রবল ইচ্ছা শক্তির দ্বারা আজও সৌরভের ক্রম বর্ধমান প্রগতির ধারাকে অব্যাহত রেখেছে।

যার ফলে অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রীর সাংস্কৃতিক গুণের বিকাশের সাথে সাথে সর্বাঙ্গীন বিকাশের সহযোগ হচ্ছে। এইভাবে ভবিষ্যতেও সংস্থাটির কর্মধারাকে ঐক্যবদ্ধভাবে চালিয়ে যাওয়ার কামনা করি ফলস্বরূপ আগামী দিনেও এই সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান থেকে বহু ছাত্র- ছাত্রী লাভান্বিত হতে পারবে। এর জন্য পুনরায় সমস্ত সহযোগী সদস্যদের অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।

শেখর দে –
কর্ণধার শ্রীলেদার্স
যে মহান ভু বৈজ্ঞানিকের আবিষ্কার এবং পরামর্শের ফসল আজ জামশেদপুরে টাটা গোষ্ঠী ইস্পাত শিল্প এবং শহরের স্থাপনা সেই মহান ব্যক্তির একটি ছোট্ট আবক্ষ মূর্তি স্থাপনা করে বাণিজ্যিক গোষ্ঠী তাঁদের দায় সেরেছেন। কিন্তু বাঙ্গালী জাতি অতটা কৃতগ্ন নয় তাঁরা জামশেদপুরের লাগোয়া পরশুদিহ্ অঞ্চলে সেই মহান বঙ্গ সন্তানের নামে একটি বিশাল জনপদের স্থাপনা করে নামকরণ করে প্রমথনগর । বহু বাঙালি সেখানে গৃহ নির্মাণ করে পাকাপাকি ভাবে বসবাস শুরু করেন। খুব স্বাভাবিক ভাবে বাঙালিরা যেখানে একত্রিত ভাবে বসবাস করবে সেখানে সংস্কৃতির চর্চা কেন্দ্র গড়ে উঠবেই।

অনেক গুলি সংগঠনের সাথে আজ থেকে ৫২ বছর আগে সৌরভ নামে একটি সাংস্কৃতিক চর্চার কেন্দ্র গড়ে উঠে কয়েকজন উদ্যমী বঙ্গ সন্তানের প্রয়াসে। সৌরভ ধীরে ধীরে একটি বিশাল সংস্কৃতির কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পায় এবং নিরলস ভাবে শুধু সংস্কৃতি চর্চায় নয় বরং একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে।

সৌরভ আজ নিজস্ব ভবন, প্রেক্ষাগৃহ এবং প্রশিক্ষন কেন্দ্রের জন্য নিয়মিত ভাবে বিদ্যালয় পরিচালনায় সমর্থ।

শুরুতে যাঁরা প্রতিষ্ঠান টি স্থাপনা করে ছিলেন তাঁদের মধ্যে দুইজন মুখ্য কর্মকর্তা শ্রী অসীম মৈত্র এবং শ্রী সুজিত মুখার্জী আজও দৃঢ় হাতে সংগঠন টি ধরে রেখেছেন । আগামী দিনে সৌরভ আরও বেশি করে সুরভিত হোক এই কামনা করি এবং সৌরভের এই প্রচেষ্টায় ঝাড়খণ্ড বঙ্গভাষী সমন্বয় সমিতি সর্বদা সৌরভের পাশে থাকার জন্য অঙ্গীকারবধ্য ।

ধন্যবাদ।

(বিকাশ মুখার্জী)
সভাপতি,
ঝাড়খণ্ড বঙ্গভাষী সমন্বয় সমিতি

আমার জন্ম একটি সঙ্গীত পরিবারে হয়।আমার ঠাকুরদাদা বিখ্যাত তবলা বাদক ছিলেন। আমার বাবার তবলায় তালিম হয় আমার ঠাকুরদাদার কাছে। সেই সুবাদে গান বাজনার প্রতি একটা টান বা ভালোবাসা, এটা আমার ছোটবেলার থেকেই ছিল। আমার বাবা তবলা, ঢাক, খোল এই বাদ্যযন্ত্র গুলো বাজাতেন এবং আমি ওগুলো অনুকরণ করার চেষ্টা করতাম। বাড়িতে আমার দিদিরা কেউ গান গাইতেন , কেউ নাচে তালিম নিতেন এগুলো আমি ছোটবেলায় দেখেছি । তবলায় আমার হাতেখড়ি আমার বাবার কাছেই হয়।
পরবর্তী সময়ে আমাদের প্রমথনগর অঞ্চলে সৌরভ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের স্থাপনা হয়। তবলায় আমার শিক্ষাগুরু এবং দীক্ষাগুরু শ্রী কেশব রঞ্জন চক্রবর্তী মহাশয় । আমি নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করি যে ওনার মত একজন এত বড় গুণী মানুষের কাছে আমি তবলার তালিম পেয়েছি । অখিল ভারতীয় গন্ধর্ব মহাবিদ্যালয় মন্ডল, মিরাজ, মহারাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমি তবলায় বিশারদ কোর্স সম্পূর্ণ করি।
তবলায় তালিম নেওয়ার সাথে সাথে আমি নিয়মিত বিভিন্ন প্রকার গানের সাথে সঙ্গত করতাম। পরবর্তী সময়ে জামশেদপুর ও অন্যান্য বিভিন্ন শহরের সঙ্গীত মঞ্চে উচ্চাঙ্গ সংগীত এবং নানারকম সংগীতানুষ্ঠানে তবলা শিল্পী রূপে আমি আমন্ত্রণ পেয়েছি ও অংশগ্রহন করেছি। খ্যাতনামা তবলা শিল্পী শ্রী স্বপন চৌধুরী মহাশয় একবার একটি সংগীতানুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন এবং ওই মঞ্চে আমি তবলা সঙ্গত করেছিলাম। আমার সঙ্গত শৈলী ও পারদর্শিতা ওনাকে এতটাই মুগ্ধ করেছিল যে উনি আমাকে তালিম দেওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু পারিবারিক কিছু অসুবিধার জন্য আমি সেই সুযোগ নিতে পারিনি। সঙ্গীত জীবনে শ্রোতা, দর্শক অথবা সঙ্গীত প্রেমী মানুষজনের কাছ থেকে আমি প্রচুর ভালবাসা ও খ্যাতি অর্জন করেছি। জামশেদপুর রামকৃষ্ণ মিশনে বেশ কিছু বছর আমি তবলা শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত ছিলাম।
সৌরভ প্রতিষ্ঠানেও আমি দুই দশকের বেশি সময় তবলা বিভাগে শিক্ষকতা করেছি। জামশেদপুরের অনেক ছাত্র আছে যারা আমার কাছে তালিম নিয়ে আজ প্রতিষ্ঠিত শিল্পী রূপে সমাদৃত। এটাই আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি। আমার এই বর্ণাঢ্য ময় সঙ্গীত জীবনের পথ চলার পুরোধা আমার গুরু শ্রী কেশব রঞ্জন চক্রবর্তী এবং সারথী সৌরভ প্রতিষ্ঠান। আশা রাখি আগামী দিনে সৌরভ শিল্প ও শিল্পী উভয়কে আরও সমৃদ্ধশালী করে তুলবে। বর্তমানে আমি অখিল ভারতীয় গন্ধর্ব মহাবিদ্যালয় মন্ডল, প্রাচীন কলা মন্দির ও বঙ্গীয় সঙ্গীত পরিষদের নিয়মিত পরীক্ষক হিসাবে নিযুক্ত রয়েছি।
শুভেচ্ছা ও শুভ কামনায়,

শঙ্কর ব্যানার্জি

I started my career in music at the age of 6 at Sourav Cultural Institute . It was like my second home and the mentors were like my parent. I completed Visharad Purna in Hindustani Classical Vocal from Akhil Bharatiya Gandharva Mahavidyalaya Mandal, Miraj (Maharashtra).Then I completed B-muse in Rabindra Sangeet from Bangiya Sangeet Parishad, Kolkata . It also took 6 years for completion. As time kept running I too kept my self engage so I took the course of Recitation and completed it. After completion I was appointed as mentor for recitation.
I was a regular artist of All India Radio Jamshedpur, for a long time too.
I was attached with Sourav cultural Institute for approx. 45 years. Time really flies, 45 years have passed away but still I feel the same like when I was of 6 years of age and entering to Sourav and taking my first step in music. A big thanks to my mentors and Sourav cultural institute.

Arpita Banerjee

দেখতে দেখতে সৌরভের বয়স বাহান্ন বছর হয়ে গেল। আজ মনে পরে যাচ্ছে সেই সব দিন গুলোর কথা। তখন সবে আমি আট বছরে পড়েছি। সেটা সম্ভবত ১৯৯১ সাল। ভর্তি হলাম সৌরভের উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত বিভাগে। তারপর প্রায় পাঁচ ছ বছর সেখানে শিক্ষা লাভ করি। পরবর্তী সময়ে স্বর্গীয় চন্দ্রকান্ত আপ্তে মহাশয়ের কাছে দুবছর তালিম নিই। এরপর কলকাতায় শ্রদ্ধেয় জয়নূল আবেদিন মহাশয়ের কাছে তালিম নিই। কিছুদিন লঘু সঙ্গীতের তালিম নিই স্বর্গীয় অভিজিত বন্দোপাধ্যায় মহাশয়ের কাছে। এইসব গুনী মানুষের কাছে শিক্ষা লাভ করার ভীত কিন্তু সৌরভই গড়ে দিয়েছিল। যদি সৌরভে শেখার সুযোগ না পেতাম তাহলে হয়তো এইসব মানুষের কাছে শিক্ষা লাভ সম্ভব হতো না। সৌরভে একটা অদ্ভুত সঙ্গীত পরিবেশ পেয়েছিলাম যা আজও আমাকে আকৃষ্ট করে। তাই আগামী দিনগুলোতে সৌরভের আরো শ্রীবৃদ্ধির আশা নিয়ে সৌরভকে আমার প্রনাম জানাই।

ইন্দ্রদীপ মৈত্র। (মুন্না)

I joined Sourav Cultural Organisation to learn Hindustani Classical Music, when I was just 5 years old. I was introduced to the Seven Swaras of our Indian Classical Music by Pt. Shubhendu Roychowdhury. Under his able guidance, I was quickly able to understand and have a good grip over Sur and Taal. He helped me make my fundamentals strong, which still enables me to sing with conviction that I have strong hold on the technicalities of the Saat Swar.

When I was 7 years old, I was given my first chance to perform on stage, during Saurav’s Annual Program. The confidence Saurav invested in me, at such an early stage of my life, was such an honor for me as it helped me, as a child, to believe in myself. The opportunity Saurav gave me at that tender age, empowered me with a lot of courage and confidence to face the audience and perform with whole heart. That helped me grow and come a long way.

Following that first memorable opportunity, I was given many more stage performances in the coming years, in various cultural programs. I also started participating in various inter-school competitions and kept winning various laurels. Quickly I started gaining recognition, to the extent that my achievements started getting published in the local newspapers.

When I was 17 years old, I won the title of the ‘Jamshedpur Idol’, which was a state level inter school completion in which more 500 students had participated. One year later, I completed my Sangeet Bisharad from Saurav.

In the next couple of years, I got a chance to learn music from ITC Sangeet Research Academy (Kolkata), under the able guidance of Pt.
Arun Bhaduri. I remember Pandit ji always used to appreciate the fact that my singing fundamentals and basics were so clear and acute.

Also, I got the opportunity to go abroad with a musical troupe and perform there as well.

Today, if I look back at my journey, it all started with the trust that my music school Saurav and my mentor Subhendhu Sir had on a 5 year old child, that with hard work, she could go a long way, if shown the correct path and given the suitable opportunity. That trust and belief had the biggest impact on me for which I will forever be indebted and obliged to my organization.

Ipshita Moitra

I am Kritika Bhowmick fortunate to learn Music from Sourav Institute, it is a well known Institute for learning music, with some of the top professional instructors.I have received exceptional guidance & training.

The Institute has also offered me numerous opportunities to showcase my talent in various forums and winning those.

Kritika Bhowmick

নিজের হাতে কোন কিছু গড়ার আনন্দটাই আলাদা, তা সে মাটির পুতুল হোক কিংবা ঠাকুর দেবতার মূর্তি হোক ।মনের এই ইচ্ছা বা বাসনাটা আমার ছেলেবেলা থেকেই ছিল। যদিও আমাদের বাড়িতে দাদা কিংবা ভাইয়েরা কারো মধ্যে এই সখগুলো ছিল না ।
স্কুলে পড়াকালীন সময় থেকেই আমি পুজোর আগে মৃৎ-শিল্পীদের বাড়িতে গিয়ে বসে থাকতাম। প্রতিমা তৈরীর কাজ দেখতাম, ভীষণ ভালো লাগতো। পরের দিকে আমি নিজে হাতেই লক্ষ্মী ঠাকুর , সরস্বতী ঠাকুরের প্রতিমা গড়তাম । এছাড়া কাগজ কেটে বিভিন্ন রকম ফুল বানানো, থার্মোকল কেটে নানা রকম ডিজাইন ফুটিয়ে তোলা এই সমস্ত কাজ করাটা আমার কাছে নেশা ছিল। কিন্তু প্রথাগতভাবে চিত্রকলা বা চারুকলার উপরে কোন রকম শিক্ষা বা ট্রেনিং আমার ছিল না। ঠিক এই রকম একটা সময়ে প্রমথনগর অঞ্চলে সৌরভ প্রতিষ্ঠানের স্থাপনা হয়। অঙ্কনকলা এবং চারুকলা বিভাগে শ্রী এল আই সিং স্যার নিযুক্ত হন । আমি সৌরভে , এই বিভাগে ছাত্র হিসাবে নামাঙ্কন পত্র জমা করি। প্রথাগত ভাবে চিত্রকলা ও চারুকলায় শিক্ষা লাভ আমার গুরু পরম শ্রদ্ধেয় শ্রী এল আই সিং স্যারের কাছেই হয় ।
জামশেদপুর শহরে এল আই সিং স্যার অদ্বিতীয়, এই মাপের গুণী ও শিল্পী মানুষ আমাদের শহরে আগেও কেউ ছিলেন না এবং আজও কেউ নেই । জামশেদপুর শহরে ওনাকে সবাই ইবু দা নামে জানে। বিশ্বভারতীর চিত্রকলা, চারুকলা এবং ভাস্কর্যকলা বিভাগের প্রধান একসময় ছিলেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের বিখ্যাত ভাস্কর শিল্পী শ্রী রামকিঙ্কর বেজ । শ্রী এল. আই. সিং ওনার আশীর্বাদ ধন্য বিশ্বভারতীর একজন কৃতি ছাত্র ছিলেন।
আমি নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করি কারণ বহু বছর আমি এই স্যারের সান্নিধ্য পেয়েছি ।
স্যারের নির্দেশনায় চিত্রকলা ও চারুকলার বিভিন্ন দিক নিয়ে আমি অনেক কাজ করেছি । বঙ্গীয় সঙ্গীত পরিষদ থেকে আমি আমার শিক্ষা সম্পূর্ন করি । বিভিন্ন রকম মাধ্যমকে ব্যবহার করে তাকে শিল্পের রুপ দেওয়া , এই উদ্ভাবনা শক্তি আমার মাস্টারমশাই আমাকে দেখিয়েছেন ও হাতে কলমে শিখিয়েছেন। আমি নানারকম মাধ্যম – কাঠ , বাঁশ, প্লাস্টার অফ প্যারিস, কাপড়, লেদার, মাটি , বালি ও সিমেন্টের মিশ্রণ ইত্যাদি নিয়ে অনেক কাজ করেছি। জলছবি , তৈলচিত্র, পটচিত্র, পেন্সিল বা কাঠ কয়লার সাহায্যে ছবি আঁকা , বাটিকের কাজ ইত্যাদি নানারকম বিষয় নিয়ে চিত্রকলার কাজ করেছি।
আজ আমি জীবনে প্রতিষ্ঠিত। প্রথম জীবনে রঙতুলি আর কাদামাটি ছিল আমার নেশা, কিন্তু আজ সেই সৃষ্টি ও কৃষ্টিকে পুঁজি করে এটাকেই আমি আমার পেশা করে নিয়েছি । আমার জীবনের সফলতার পিছনে সম্পূর্ন কৃতিত্ব, আমার গুরু শ্রী এল. আই . সিং এবং সর্বোপরি সৌরভ প্রতিষ্ঠান। আমি এদের কাছে চিতকৃতজ্ঞ । সৌরভের সুবাস চির অক্ষত থাকুক সদা সর্বদা এই কামনা করি।

প্রীতি ও শুভেচ্ছা সহকারে

কৃষ্ণ নন্দী

The name SOURAV speaks for itself.

I am an ex-student of Sourav Institute, where I learned both dance and recitation. I began my journey with dance at the age of three and a half. My first teachers were Shri Shankar Mahato and Shri Paresh Das, but it was my Guru, Shri Prabhushankar Mishra, who instilled in me the art of Kathak. Alongside dance, I also started learning recitation at the same age under the mentorship of Shri Sujit Mukherjee.

I have received numerous accolades in both dance and recitation and have performed on various stages, both in and outside Jamshedpur, earning recognition for my talents—all thanks to Sourav Institute.

Today, I am proud to say that I am a dance teacher at this prestigious institution.

I owe all my achievements to Sourav Institute.

Mitali Mitra
সৌরভের সঙ্গে আমার পরিচয় দীর্ঘকালের। সময়ের সঙ্গে তাল রেখে এই সম্পর্কের গভীরতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়ে আজ তা পরম আত্মীয়তায় রূপান্তরিত।
আমরা জানি সাহিত্য, নাটক, সংগীত ও শিল্পকলার প্রতি বাঙালির অনুরাগ বহু আগেই দেশ কালের সীমা অতিক্রম করেছে আর সেই সঙ্গে সমগ্র ভারতীয় শিল্প – সাহিত্যের জগৎকে সমৃদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করেছে।
বহির্বাংলায় লৌহ-নগরীর উপকণ্ঠে সৌরভ আরোও কয়েকটি সংগঠনের মত সেই অনুরাগ – সেই ভালোবাসাকে উপেক্ষা করতে না পেরে বাংলা সাহিত্যচর্চা, নাটক, সংগীত ও শিল্পকলার শিক্ষা ও প্রসারে আত্মনিয়োগ করেছিল।

সময়ের পলির প্রলেপে আজ অনেক সংস্থাই আগের সেই গৌরবময় অতীতের অনুজ্বল ছায়ামাত্র কিন্তু অর্ধশতাব্দী অতিক্রম করেও সৌরভ আজও তার অনলস প্রচেষ্টা অক্ষুন্ন রেখেছে।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস সংস্কৃতি মনস্ক প্রতিটি মানুষের শুভেচ্ছা, ভালোবাসা, সহযোগিতাকে সম্বল করে সৌরভ তার কর্ম পথে অবিচল থাকবে।

অচিন্তম গুপ্ত